দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে তার নাক দিয়ে রক্ত বের হওয়ার বিষয়টি পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া মরদেহের পেট ফোলা ছিল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে টঙ্গী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মুস্তাফিজুর রহমান তাহসিফের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মরদেহটি শনাক্ত করেন তাহসিফের খালাতো ভাই জহির হাসান। মরদেহের মাথার চুল কালো, উচ্চতা আনুমানিক ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি এবং মুখমণ্ডল গোলাকার ছিল। তার মুখ ও চোখ বন্ধ ছিল। মুখে ছোট ছোট কালো দাড়ি ও গোঁফ ছিল। দুই হাত মাথার সামনের দিকে বাঁকানো অবস্থায় ছিল এবং হাতের মুঠো খোলা পাওয়া যায়।
সুরতহাল প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, তাহসিফের বুক, পেট, পিঠ ও দুই পা স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল। তবে তার পেট ফোলা দেখা যায়। শরীরের কোথাও দৃশ্যমান আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
সাক্ষীদের উপস্থিতিতে মরদেহ পর্যবেক্ষণ করে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।
এর আগে বুধবার বিকেলে টঙ্গী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা তুরাগ নদ থেকে তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে মরদেহটি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
তাহসিফের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সুরতহাল প্রতিবেদনে আঘাতের চিহ্ন না থাকার তথ্য থেকে এককভাবে মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ করা যায় না।
কেএম